PROJECT 3: STYLOPEAK
W

স্টাইলোপিক কি?

স্টাইলোপিক হচ্ছে শুধুমাত্র বাংলাদেশ মার্কেটপ্লেসের জন্য একটি প্রিন্ট অন ডিমান্ড প্ল্যাটফর্ম যেখানে থাকছে কাস্টোমারদের জন্য তাদের পছন্দ অনুযায়ি কাস্টোম ডিজাইন্ড প্রোডাক্টের সল্যুশন এবং খুদ্র থেকে যেকোনো লেভেলের উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সুগঠিত প্ল্যাটফর্ম যেখানে থাকছে নিজের ব্রান্ড তৈরি করা থেকে শুরু করে একজন প্রোমোটার হিসেবে কাজ করা পর্যন্ত সব ধরনের বিজনেস সল্যুশন।

ব্যাকগ্রাউন্ডঃ

স্টাইলোপিকের ফাউন্ডার এবং টিমের রয়েছে ৫ বছরেরও বেশি সময় প্রিন্ট অন ডিমান্ড বিজনেসে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে কাজ করার অভিজ্ঞতা। এখনো বাংলাদেশ মার্কেটের জন্য যেহেতু কাস্টমাইজড প্রোডাক্ট নিয়ে এখন পর্যন্ত কেউ পরিপূর্ণ কোন সল্যুশন নিয়ে আসেনি তাই বাংলাদেশ মার্কেটের জন্য স্টাইলোপিক এর মাধ্যমে সেই সল্যুশন প্রোভাইড করা হবে।

business meeting 53e3dc464f 1280
why us

কেন স্টাইলোপিক?

বর্তমানে পৃথিবী ব্যাপি সবজায়গায় কাস্টোম ডিজাইনের ট্রেন্ড রয়েছে এবং বাংলাদেশেও এর চাহিদা দিন দিন বারছে কিন্তু সেই তুলনায় এই চাহিদা মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমান প্ল্যাটফর্ম না থাকায় কাস্টমাররা তাদের কাংখিত প্রোডাক্ট পেতে বিড়ম্বনায় পরে যায়।

অন্যদিকে অনেক উদ্যোক্তা আছে যারা এই সার্ভিসটি প্রোভাইড করতে ইচ্ছুক কিন্তু ইনভেস্টমেন্ট, টিম এবং অভিজ্ঞতা অথবা কিছু অজাচিত অসুবিধার কারনে সফলভাবে করতে পারছেনা।

স্টাইলোপিক হচ্ছে এই দুইটি সমস্যার একটি সমাধান এবং একটি প্ল্যাটফরমের মাধ্যমেই। আমরা বিশ্বাস করি এখনি বাংলাদেশ মার্কেটে প্রিন্ট অন ডিমান্ড স্ট্রাকচার নিয়ে কাজ করার জন্য সঠিক সময় এবং স্টাইলোপিক একটি সঠিক সমাধান।

স্টাইলোপিকের ভবিষ্যৎ

কিছুদিন যাবত স্টাইলোপিকের অপারেশন বেটা টেস্টিং পর্যায়ে পরিচালিত হওয়ার পরে আমরা অসাধারন সারা পেয়েছি মার্কেট থেকে যেখানে কাস্টমার এবং উদ্যোক্তা দুই দিক থেকেই আমাদেরকে এই প্ল্যাটফর্মটি বর্ধিত করার ব্যাপারে বলা হয়েছে।

সকলদিক এবং সময় বিবেচনা করে আমরা এখন স্টাইলোপিক স্কেল-আপ করার ব্যাপারে কাজ করছি এবং আমরা শুরু থেকেই কোম্পানি শেয়ার দিচ্ছি।

বিঃ দ্রঃ.অন্যান্য ইনভেস্টমেন্ট মডেল এর মত করে এই শেয়ার এর নিতিমালাগুলো তৈরি করা হয়নি। স্টাইলোপিকের শেয়ার হোল্ডারগন কি কি সুবিধা পাবেন, কারা শেয়ার নিতে পারবেন সেই সংক্রান্ত সকল তথ্য জানানো হবে এখানে। সম্পূর্ণ ব্লগটি পরলে আপনি পুরো বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার একটি ধারনা পেয়ে যাবেন।

কি কি পাচ্ছেন শেয়ারহোল্ডারগণ?

১. নিজস্ব ব্র্যান্ড ইস্টাব্লিশ করার জন্য পরিপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে সকল প্রয়োজনিও টুলস গুলো ইন্টিগ্রেট করা থাকবে। 

২. স্টাইলোপিকে নিজের একটি ডেডিকেটেড সপ

৩. আজিবন সেলিং সাপোর্ট থাকবে

৪. ডিজাইন এবং প্রোমোশন আইডিয়া

৫. ডিজাইনের জন্য একটি কোর্সের ফ্রি মেম্বারশিপ

৬. ডিজিটাল মার্কেটিং এর টোটাল একটি কোর্সের মেম্বারশিপ

৭. ব্র্যান্ডিং শুরু করার জন্য ইনিশিয়াল কিছু প্রোডাক্ট ডিজাইন এবং ব্র্যান্ডিং মেটেরিয়ালস পাবে ফ্রি

৮. বিভিন্ন মেয়াদি ৫% প্রফিট শেয়ারিং থাকছে সকল মেম্বারদের জন্য

৯. আপনার মেম্বারশিপের সমপরিমান টাকার প্রোডাক্ট

১০. আমাদের বিজনেস ইভেন্ট গুলোতে অংশগ্রহণ করার আমন্ত্রন পাবেন

শেয়ার ভ্যালুয়েশন

প্লাটিনাম মেম্বার

১. অনলাইন স্টোর – ২০০০০/= টাকা

২. ৫০ টি ডিজাইন – ২০০০০/= টাকা

৩. ডিজাইন কোর্স – ১০০০০/= টাকা

৪. কমপ্লিট ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স – ১০০০০/= টাকা

৫. ব্র্যান্ডিং মেটেরিয়ালস (লোগো, কভার ইমেজ, ক্রিয়েটিভ) – ৫০০০/= টাকা

৬. প্রোডাক্ট – ২০০০০/= টাকা

৭. ৫০০০ মাস্ক ফ্রি – ১৫০০০০/= টাকা 

৮. বাৎসরিক প্রোফিট শেয়ারিং: কোম্পানি বাৎসরিক এর প্রোফিটের ৫% – (২০২৫ ইং) পর্যন্ত শেয়ার করবে

মোট ভ্যালুয়েশনঃ ২,৩৫,০০০/= টাকা +

মেম্বারশিপ ফিঃ ২০,০০০ টাকা মাত্র

গোল্ড মেম্বার

১. অনলাইন স্টোর – ২০,০০০/= টাকা

২. ৩০ টি ডিজাইন – ১২,০০০/= টাকা

৩. ডিজাইন কোর্স – ১০,০০০/= টাকা

৪. কমপ্লিট ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স – ১০,০০০/= টাকা

৫. প্রোডাক্ট – ১০,০০০/= টাকা

৬. ৫০০০ মাস্ক ফ্রি – ১৫,০০০০/= টাকা 

৭. বাৎসরিক প্রোফিট শেয়ারিং কোম্পানি বাৎসরিক এর প্রোফিটের ৩% – (২০২৫ ইং) পর্যন্ত শেয়ার করবে

মোট ভ্যালুয়েশনঃ ২,১২,০০০/= টাকা +

মেম্বারশিপ ফিঃ ১০,০০০ টাকা মাত্র

সিলভার মেম্বার

১. অনলাইন স্টোর – ২০,০০০/= টাকা

২. ২০ টি ডিজাইন – ৮,০০০/= টাকা

৩. ডিজাইন কোর্স – ১০,০০০/= টাকা

৪. কমপ্লিট ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স – ১০,০০০/= টাকা

৫. প্রোডাক্ট – ৫,০০০/= টাকা

৬. ৫০০০ মাস্ক ফ্রি – ১৫,০০০০/= টাকা 

৭. বাৎসরিক প্রোফিট শেয়ারিং কোম্পানি বাৎসরিক এর প্রোফিটের ২% – (২০২৫ ইং) পর্যন্ত শেয়ার করবে

মোট ভ্যালুয়েশনঃ ২,০৩,০০০/= টাকা +

মেম্বারশিপ ফিঃ ৫,০০০ টাকা মাত্র

মেম্বারশিপ এর টারমিনোলজিঃ

প্লাটিনাম মেম্বারশিপ এর টারমিনোলজিঃ

১. স্টাইলোপিক এর প্লাটিনাম মেম্বারশিপের জন্য টোটাল ১০০ ইউনিট এভেইলেবল থাকবে

২. একজন ব্যাক্তি একাধিক ইউনিট নিতে পারবেন

৩. প্রতিটি ইউনিটের জন্য ২০,০০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে

৪. বাৎসরিক ৫% প্রোফিট শেয়ার করা হবে ১০০ ইউনিটের মধ্যে

৫. ২০,০০০ টাকার সমপরিমান পণ্য বিক্রয় এর মেয়াদ ৩ বছর ।

গোল্ড মেম্বারশিপ এর টারমিনোলজিঃ

১. স্টাইলোপিক এর প্লাটিনাম মেম্বারশিপের জন্য টোটাল ১৫০ ইউনিট এভেইলেবল থাকবে

২. একজন ব্যাক্তি একাধিক ইউনিট নিতে পারবেন

৩. প্রতিটি ইউনিটের জন্য ১০,০০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে

৪. বাৎসরিক ৩% প্রোফিট শেয়ার করা হবে ১৫০ ইউনিটের মধ্যে

৫. ১০,০০০ টাকার সমপরিমান পণ্য বিক্রয় এর মেয়াদ ২ বছর ।

সিলভার মেম্বারশিপ এর টারমিনোলজিঃ

১. স্টাইলোপিক এর প্লাটিনাম মেম্বারশিপের  জন্য টোটাল ২০০ ইউনিট এভেইলেবল থাকবে

২. একজন ব্যাক্তি একাধিক ইউনিট নিতে পারবেন

৩. প্রতিটি ইউনিটের জন্য ৫,০০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে

৪. বাৎসরিক ৩% প্রোফিট শেয়ার করা হবে ২০০ ইউনিটের মধ্যে

৫. ৫,০০০ টাকার সমপরিমান পণ্য বিক্রয় এর মেয়াদ ১ বছর ।