মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং কী এবং কিভাবে সেখানে কাস্টমার গ্রাব করা যায়

মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং কী এবং কিভাবে সেখানে কাস্টমার গ্রাব করা যায়
Share This Post

আপনি কি আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর সেল বৃদ্ধি করতে চান তাও আবার সব খরচের মাঝে তাহলে আপনাকে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যা আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বৃদ্ধি করবে এবং আপনার টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে খুব সহজেই তথ্য পৌঁছে দিবে। বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং ব্যবস্থার মাঝে মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং অন্যতম। 

আপনি যদি মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং সম্পর্কে তেমন কিছু না জেনে থাকেন তবে আজকে লেখাটি আপনারই জন্যে। আসুন তাহলে জেনে আসা যাক মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং কি? এর গুরুত্ব সহ ৭টি টিপস সম্পর্কে যার সাহায্যে আপনি বিভিন্ন ধরনের প্লাটফর্ম থেকে কাস্টমার গ্রাব করতে পারবেন। 

তাহলে আর দেরি না করে চলুন আমরা বিস্তারিত জেনে আসি মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং সম্পর্কে। 

মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং কী?

মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং একটি পদ্ধতি যার সাহায্যে আপনি কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। আর এই যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য বিভিন্ন ধরনের চ্যানেল রয়েছে যেমন ইমেইল, প্রিন্ট, প্রমোশনাল ইভেন্ট, sms মেসেজিং, সোশ্যাল মিডিয়া, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপস বা অফলাইনের মাধ্যমে। 

মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার সেল বৃদ্ধি করতে পারেন। এছাড়াও অনেক বেশি কাস্টমারের কাছে আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন। যত বেশি কাস্টমার আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে জানবে তত বেশি ট্রাফিক তৈরি হবে। যা প্রোডাক্ট  মার্কেটিং এর জন্য অন্যতম একটি ভালো পদ্ধতি। 

মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং কেন দরকার? 

আমরা প্রয়োজনীয়তার তাগিদে অথবা বিনোদনের জন্য হলেও বিভিন্ন ধরনের চ্যানেল ব্যবহার করে থাকি। আমরা একই সময়ে বিভিন্ন ধরনের চ্যানেল ব্যবহার করি যেমন ল্যাপটপে কাজ করার সাথে সাথে আমরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করি, বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রোডাক্টের ডিটেইলস সম্পর্কে জানি। 

কাস্টমাররা যেসকল চ্যানেল বেশি ব্যবহার করে  সেসব চ্যানেলের সার্ভিস সম্পর্কে তারা তত বেশি জানতে পারে। আর এগুলোই মার্কেটিং এর কাজ করে থাকে। আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর তথ্য সকল কাস্টমারদের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন তবে আপনার দরকার হবে বিভিন্ন ধরনের চ্যানেলে। মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং এই সুবিধা প্রদান করে থাকে। আপনার সার্ভিসের মাধ্যমে কাস্টমারদের আগ্রহী করে তুলতে চাইলে সেক্ষেত্রে মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং অসাধারণ একটি ভূমিকা পালন করে।

কিভাবে মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং এর মাধ্যমে সব প্লাটফর্মের কাস্টমার গ্রাব করা যায়?

আপনি চিন্তা করছেন কিভাবে আপনি কাস্টমার বৃদ্ধি করবেন এই মাল্টি চ্যানেল দিয়ে।  তাহলে এমনই ৭টি টিপস সম্পর্কে চলুন জেনে আসি যার সাহায্যে আপনি বিভিন্ন ধরনের প্লাটফর্ম থেকে কাস্টমার গ্রাব করতে পারবেন খুব সহজেই। 

১। সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা

আপনি আপনার ব্রান্ড সম্পর্কে সকল কাস্টমারের কাছে পরিচিত করাতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে একটি সঠিক লক্ষণ নির্ধারণ করতে হবে। মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত কাস্টমারদের কাছে আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে কিভাবে তথ্য প্রদান করবেন তার জন্য দরকার একটি সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা।

লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলে আপনি খুব সহজেই বিভিন্ন চ্যানেল ব্যবহার করে বড় একটি অডিয়েন্স এর কাছে তথ্য সরবরাহ করতে পারবেন। এছাড়াও কোন কোন চ্যানেল কি ধরনের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে পারবে বা কোন কাজগুলোকে বাস্তবায়ন করতে হবে বা কোন বিষয়বস্তুকে বাদ দিতে হবে সে সকল জিনিস নির্ভর করে লক্ষ্য নির্ধারণের উপরে। 

ইমেইল, প্রিন্ট, প্রমোশনাল ইভেন্ট, sms মেসেজিং, সোশ্যাল মিডিয়া, ওয়েবসাইট, ব্লগিং ইত্যাদি  বিভিন্ন চ্যানেলের ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তাই প্রত্যেকটি চ্যানেলের জন্য আপনাকে আলাদা আলাদা টার্গেট বা লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। আপনি সঠিক টার্গেট নির্বাচন করতে পারেন এবং তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেন তবে এটি আপনাকে ভালো একটি সুবিধা প্রদান করবে। যা কিনা সব ধরনের প্ল্যাটফর্ম থেকে একটি বেশ বড়সড় অডিয়েন্সকে গ্রাব করতে পারবে। 

সবসময় পরিমান নির্ণয় করা যায় এমন বিষয়গুলোর প্রতি নজর দেয়া। যেমন ধরুন প্রতি মাসে ২০% এর বেশি লাভ নিশ্চিত করা, আগের থেকে ১২% এর বেশি কাস্টমার সংগ্রহ করার টার্গেট ইত্যাদি। এসব কিছুই সম্ভব যদি আপনি সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারেন।

যা সবধরনের কাস্টমারকে আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর প্রতি আগ্রহী করে তোলে।

২। কাস্টমারদের সম্পর্কে তথ্য জানা 

মাল্টি-চ্যানেল মার্কেটিং এর পিছনে মূল উদ্দেশ্য হল সঠিক সময়ে এবং সঠিক জায়গায় আপনার কাস্টমারদের কাছে তথ্য পৌঁছে দেয়া।

এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আপনাকে অবশ্যই  ২টি জিনিস জানতে হবে:

১. আপনি কিভাবে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে যাচ্ছেন।

২. কাস্টমাররা কোন চ্যানেলের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে আগ্রহী।

কাস্টমারদের সম্পর্কে তথ্য জানতে আপনি প্রশ্ন-উত্তর এর ব্যবস্থা করতে পারেন। যেমন  “কোন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম আপনি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন?” এবং ” আপনি আপনার পছন্দের অনুসারে রেটিং করুন?” এমন বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন দিয়ে আপনার প্রশ্নউত্তর পদ্ধতিটি তৈরি করতে পারেন যার সাহায্যে কাস্টমার  সরাসরি তাদের পছন্দ অপছন্দ ব্যক্ত করতে পারে। 

আপনি যদি আরও ভালোভাবে গুণগত মান সম্পর্কে জানতে চান তবে কাস্টমারদের ইন্টারভিউ এর ব্যবস্থা করতে পারেন। তা হতে পারে ফোনকল, ম্যাসেজিং অথবা ভিডিওর মাধ্যমে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার কাস্টমারদের  মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষেত্রে  মেসেজিং করতে পারেন। এর সাহায্যে  আপনি জানতে পারবেন  আপনার কাস্টমাররা এই মুহূর্তে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ এবং বিপত্তির সম্মুখীন হচ্ছেন।

যার মাধ্যমে আপনি সব প্ল্যাটফর্ম থেকে একটি বড় ধরনের কাস্টমারকে গ্রাব করতে সক্ষম হবে।  

৩। গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলোর ক্ষেত্রে ম্যাপ তৈরি করা।

ম্যাপের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলো খুবই সহজে আপনার কাস্টমারদের কাছে তুলে ধরতে পারেন।  এটি কাস্টমারদের কাছেও বেশ গ্রহনযোগ্য। ম্যাপে চ্যানেল মার্কেটিং এর বিভিন্ন ধাপে আপনি কাস্টমারদের ম্যাপিং সুবিধা প্রদান করতে পারেন। এতে করে কাস্টমাররা আপনার বিভিন্ন ধরনের চ্যানেলের সুবিধা ও কাজের নিয়মাবলী গুলো খুব সহজেই বুঝতে পারবে।

ধরুন কাস্টমার কোন উপায়ে তার পার্সেলটি সংগ্রহ করবে তা যদি একটি ম্যাপ বা ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হয় সেটি বুঝতে অনেক সহজ হয়ে যায়। 

কাস্টমারের কাছে পার্সেলটি পৌঁছাতে ট্রাভেলিং সোর্স গুলো কি কি তাও এই ম্যাপের মাধ্যমে দেখানো সম্ভব। আপনার সার্ভিসের লোকেশন কোথায় তাও একটি ম্যাপের মাধ্যমে আপনার কাস্টমারদের আছে পরিচিত করে দিতে পারেন। এতে করে কাস্টমারদের এক্সাক্ট লোকেশন  বুঝতে সাহায্য করবে। 

কাস্টমার যদি তার পার্সেল সম্পর্কে সঠিক ও দ্রুত তথ্য পায় তবে আপনার সার্ভিসের প্রতি তার আস্থা তৈরি হবে। যা কাস্টমার বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। কাস্টমার আপনার সার্ভিসের প্রতি আরও বেশি আগ্রহী হবে এবং সবধরনের প্ল্যাটফর্ম থেকে কাস্টমার গ্রাব করা সম্ভব হবে। 

৪। চ্যানেল সিলেক্ট করা 

মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং এর সুবিধা অনেক। বিভিন্ন ধরনের চ্যানেলের কাজের ভিন্নতা রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনাকে দেখতে হবে আপনার কাস্টমাররা কোন চ্যানেলগুলোর প্রতি বেশি আগ্রহী। তারা কোন চ্যানেলগুলোকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। 

আপনি যদি  Facebook, Twitter, এবং Instagram-এ একই বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন  এবং প্রতিটি চ্যানেলের কাজগুলোকে তুলনা করেন তাহলে আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন চ্যানেল সিলেক্ট করার গুরুত্ব। 

কোন চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে কাস্টমাররা আপনার সার্ভিস বেশি  গ্রহণ করছে। কোন চ্যানেলগুলোর জন্য নতুন কিছু পরিবর্তন আনতে হবে এ সকল বিষয় সম্পর্কে যদি আপনি ধারণা পেতে পারেন। তাহলে আপনি সহজেই বিভিন্ন প্লাটফর্ম থেকে কাস্টমার সংগ্রহ করতে পারবেন। 

আপনাকে অবশ্যই মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনার কোন চ্যানেলের থেকে কাস্টমারদের বেশি উপকার হচ্ছে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। বেশি ব্যবহৃত চ্যানেলগুলোর সাহায্যে আপনি অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে কাস্টমার গ্রাব করতে পারবেন।

৫। মেসেজ কাস্টমাইজ করা 

মেসেজ তৈরি করার ক্ষেত্রে কাস্টমারদের সকল ধরনের তথ্যের প্রতি নজর দেয়া।মেসেজের ক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন ধরনের চ্যানেল ব্যবহার করতে পারেন যেমন ইমেইল, এসএমএস মেসেজিং ইত্যাদি । আপনার  সার্ভিসের তথ্য সকলের কাছে পৌঁছে দিতে এই চ্যানেলগুলো অনেকাংশে কার্যকর। 

বিভিন্নভাবে মেসেজ কাস্টমার করা যায়।  সেক্ষেত্রে আপনি আপনার সুবিধার্থে ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন তথ্যের উপর ভিত্তি করে মেসেজ কাস্টমাইজ করতে পারেন। কোন মাধ্যমকে ব্যবহার করে কাস্টমারদের কাছে আপনার সার্ভিস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পৌঁছাচ্ছে সে বিষয়গুলোর প্রতি নজর রাখাই আপনাকে মেসেজ কাস্টমাইজ করতে হবে। 

আপনি যদি সঠিক সময়ে কাস্টমারদের কাছে তথ্য পৌঁছাতে পারেন তবে আপনার জন্য সকল প্লাটফর্ম থেকে কাস্টমার গ্রাব করা খুবই সহজ হবে। প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে মেসেজ কাস্টমাইজ করে আপনি কাঙ্খিত অডিয়েন্স এর কাছে আপনার সার্ভিসের সকল তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন।

৬। রেজাল্ট অপটিমাইজেশন করা 

মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই রেজাল্ট অপটিমাইজেশন করতে হব। বিভিন্ন ধরনের চ্যানেলের কার্যক্রম বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে । তাই আপনাকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে প্রতিটি চ্যানেলের ক্ষেত্রে এবং সকল চ্যানেলের রেজাল্ট গুলো সম্পর্কে। 

রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে আপনাকে বিভিন্ন ধরনের কাজের পরিবর্তন আনতে হতে পারে। যে চ্যানেলটির কাস্টমার কম তার ক্ষেত্রে কিভাবে এর কাস্টমার বাড়ানো যায় তা ঠিক করতে পারবেন। 

মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের কাজ কাস্টমারদের কথা চিন্তা করেই করতে হবে। কারণ যদি আপনি বর্তমান কাজ গুলোর রেজাল্ট সম্পর্কে ধারণা রাখেন এবং প্রয়োজনীতার উপর ভিত্তি করে কাজের পরিবর্তন আনতে হবে। তাহলেই আপনি অনেক কাস্টমারদের ধরে রাখতে পারবেন।

৭। পারফর্মেন্স অবজারভেশন করা 

যেহেতু মাল্টি চ্যানেল মার্কেটিং এ বিভিন্ন ধরনের চ্যানেলের মার্কেটিং ব্যবস্থা রয়েছে  তাই অবশ্যই আপনাকে  প্রতিটি কাজের পারফরমেন্সের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। কোন প্লাটফর্মের কার্যক্রম কেমন চলছে, কোন চ্যানেলের ক্ষেত্রে  কম কাস্টমার পাওয়া যাচ্ছে এখানে সকল বিষয় পারফরম্যান্স অবজারভেশন এর মধ্যেই পড়ে। 

আপনি আপনার চ্যানেলগুলোর পারফরম্যান্স অবজারভেশন করলেই বুঝতে পারবেন কোন চ্যানেলটির প্রতি কাস্টমাররা কম আগ্রহী এবং কোন চ্যানেলগুলোর বিভিন্ন ধরনের কাজের পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। যা কিনা কাস্টমার ধরে রাখতে সাহায্য করবে। 

এছাড়া পারফরমেন্সের উপর ভিত্তি করে আপনি আপনার মার্কেটিং পদ্ধতি পরিবর্তন করতে পারেন। যে পদ্ধতিটি সব ধরনের মানুষের জন্য উপকারি হয়ে উঠবে। আপনি যদি সব ধরনের কাস্টমারকে গ্রাব করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই সকল চ্যানেলের পারফরম্যান্স গুলোকে যথা সময়ে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সঠিক সময়ে আপনি যদি কাজগুলো করতে পারেন তবে এটি অন্যতম একটি ট্রিকস হবে সব প্লাটফর্ম থেকে কাস্টমারদের গ্রাব করার জন্যে।

Don't wait!
Get the expert business advice You need in 2022

It's all include in our newsletter!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More To Explore
আপকামিং ফাদার্স-ডে সেল টার্গেট অ্যাচিভ করার-৭টি টিপস
Marketing

আপকামিং ফাদার্স-ডে সেল টার্গেট অ্যাচিভ করার-৭টি টিপস

বাবা-নিজের শখ, চাহিদা এবং সুখ বিসর্জন দিয়ে আমাদের জীবনের প্রতিটা মুহুর্ত সুন্দর করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করা কারিগর। বাবারা হয়ত বাইরের থেকে কঠিন। কিন্তু এই

মার্কেটিং অটোমেশনের আল্টিমেট গাইডলাইন
Marketing

মার্কেটিং অটোমেশনের আল্টিমেট গাইডলাইন

কেমন হয় যদি মার্কেটিং এর জন্য আপনার তেমন কোন পরিশ্রমই না করতে হয়? অটোমেটিকালি, মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি গুলো আপনার বিজনেস কে কিউরেট করে! এতে, একদিকে আপনার