ফেসবুক অ্যাড অডিয়ান্স টার্গেটিং কি? টার্গেটিং এর খুটিঁনাটিঁ

ডিজিটাল বিজনেস শুরু করার ৮ টি সুবিধা
Share This Post

অডিয়েন্স টার্গেটিং কী?

ফেসবুক অ্যাড মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজির মধ্যে অডিয়েন্স টার্গেটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

অডিয়েন্স টার্গেটিং হলো আপনার পণ্য বা পরিষেবাতে আগ্রহী সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট গ্রুপগুলি সনাক্ত করণ এবং তাদের কাছে পণ্য পৌঁছানোর চেষ্টা। 

২০২২ এর তথ্য মতে, ফেসবুক প্রতিমাসে প্রায় ২ বিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারীর মধ্যে থেকে সম্ভাব্য গ্রাহক খুঁজে দিতে এডভার্টাইজারদের প্রচুর ডেটা সরবরাহ করে। 

তবে এই সুবিধা পেতে প্রত্যেক বিজ্ঞাপনদাতাকে তার একটি টার্গেট মার্কেট নির্দিষ্ট করে অডিয়েন্স টার্গেটিং করতে হয়। এজন্য বিভিন্ন টার্গেটিং অপশন আছে। যেমন: 

  • ডেমোগ্রাফিক টার্গেটিং (যেমন বয়স/ লিঙ্গ/ আয়ের উপর ভিত্তি করে)
  • লোকেশন টার্গেটিং (যেমন শহর/ রাজ্য/দেশের ট্রেন্ড অনুযায়ী)
  • ইন্টারেস্ট টার্গেটিং (যেমন ভোক্তাদের আগ্রহ/ পছন্দ/ শখ পর্যালোচনা করে)
  • এবং আচরণ টার্গেটিং (যেমন শপিং অভ্যাস, বিভিন্ন পণ্য ব্যবহারের আগ্রহ অনুসারে)।

এই অপশনগুলো আপনাকে আপনার পণ্য বা সেবার সর্বাধিক সংখ্যক সম্ভাব্য গ্রাহকদেরকে আপনার বিজ্ঞাপনগুলি দেখাতে সাহায্য করে। 

এভাবে আপনি নিশ্চিত করতে পারেন যে, আপনার বার্তাগুলো এমন লোকদের কাছে পৌঁছেছে যারা আপনার ব্র্যান্ডের গ্রাহক হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

ফেসবুক অ্যাডভার্টাইজিং এ অডিয়েন্স টার্গেটিং এর প্রকারভেদ

ফেসবুক এডভার্টাইজিং এ অডিয়েন্স টার্গেটিং এর জন্য বিভিন্ন ধরণের উপায় আছে। এখানে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রকার এর বিস্তারিত চলুন জেনে নিই:

ডেমুগ্রাফিক টার্গেটিং

বিভিন্ন বয়সের ও ভিন্ন ভিন্ন পেশাজীবী মানুষের প্রয়োজন ও পছন্দ ভিন্ন হয়ে থাকে। 

এছাড়া বয়স, লিঙ্গ,আয়, ও শিক্ষার স্তর অনুযায়ীও মানুষের প্রয়োজন আগ্রহ পরিবর্তিত হয়। 

সব কিছুর উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন দেয়াকেই ডেমুগ্রাফিক টার্গেটিং বলে। 

যেমন ধরুন, আপনার যদি প্রসাধনী সামগ্রীর ব্যবসা থাকে তাহলে বুঝতেই পারছেন ১৮-৪০ বছরের মানুষের মধ্যে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করলে আপনার বিজ্ঞাপনটি অনেক বেশি ফলপ্রসূ হয়ে উঠবে।

আবার, আপনি আপনার বিজ্ঞাপনগুলি ২০-৩০ বছর বয়সী নারী/ পুরুষদের লক্ষ্য করে দিতে পারেন যারা একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বাস করেন এবং একটি নির্দিষ্ট আয়ের স্তর রয়েছে।

লোকেশন টার্গেটিং

ফেসবুক লোকেশন অনুযায়ী মানুষের কাছে বিজ্ঞাপন পৌঁছে দেয়ার সুযোগ সুবিধা প্রদান করে থাকে। 

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,এই ধরণের টার্গেটিং আপনার পণ্য বা পরিষেবাকে দেশ, অঞ্চল, রাজ্য, শহর এবং এমনকি নির্দিষ্ট জিপ কোড সহ অবস্থানের উপর ভিত্তি করে লোকদের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করে। 

যেমন, আপনি চাইলেই শুধুমাত্র সিলেটে বসবাসকারীদের কাছে অথবা পার্বত্য এলাকাবাসীর কাছে আপনি যেকোনো বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারবেন। ঐ স্থানে থাকা সকল ফেসবুক ব্যবহারকারীর কাছে আপনার বিজ্ঞাপন পৌঁছে যাবে। এমনকি যারা ঐ অঞ্চলে অন্য কোন কারনে এসেছে তাদের কাছেও যাবে।

ইন্টারেস্ট টার্গেটিং

ফেসবুকের এই অপশনটি এডভার্টাইজারদেরদের জন্য খুবই চমৎকার এবং কার্যকরী। 

গ্রাহকদের ইন্টারেস্ট অনুযায়ী আপনি খুব সহজেই আপনার ব্যবসায়ের জন্য সঠিক ক্রেতা খুঁজে বের করে ফেলতে পারবেন।

এই ধরণের টার্গেটিং আপনাকে এমন লোকদের কাছে পৌঁছাতে দেয় যারা ফেসবুকে নির্দিষ্ট বিষয়, শখ বা প্রয়োজনে কোন পন্য বা সেবার বিষয়ে সার্চ করেছেন। 

উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি বাইকের ব্যবসা করেন তবে ১৮-৩০ বছরের যুবক এবং বাইক নিয়ে ইন্টারেস্ট আছে এমন মানুষদের লক্ষ্য করতে পারেন। এই সম্পর্কিত বিষয়গুলি যারা সার্চ করেছেন তাদের কাছে যদি আপনি নিজের বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারেন তাহলে বিক্রয় বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

বিহেইভার টার্গেটিং

বিহেইভার টার্গেটিং ফিচারটি আপনাকে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের অনলাইন আচরণ এবং ক্রিয়াকলাপের উপর ভিত্তি করে আপনার সম্ভাব্য পন্য বা সেবার সম্ভাব্য গ্রাহক চিহ্নিত করার সুবিধা দেয়।

এই অপশনের মাধ্যমে আপনি ধারণা নিতে পারবেন যে,কারা সচরাচর ফেসবুক ব্রাউজ করতে তাদের মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করেন বা সম্প্রতি অনলাইনে কেনাকাটা করেছেন।  

উদাহরণস্বরূপ,যারা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন পেজ থেকে আপনার পন্যের অনুরূপ অন্যান্য পন্য ক্রয় করেছে, তাদের কাছেও আপনি আপনার বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারবেন। 

এক্ষেত্রে গ্রাহকের ব্রাউসিং এর উপর ভিত্তি করে তাদের কেনাকাটার অভ্যাসের দিকে অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ব্যবহার্য জিনিস, ভ্রমণ বিষয়ক বা অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দের দিকে ফোকাস করা হয়।

এই ধরণের তথ্য উপাত্তের উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন দেয়াকেই মূলত ডাটাড্রিভেন মার্কেটিং বলা হয়।

সামগ্রিকভাবে, এই ধরনের টার্গেটিং করা আপনার পন্য বা সেবার বিজ্ঞাপন পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় ও প্রাসঙ্গিক অডিয়েন্স খুঁজে পেতে খুবই সহায়ক। 

কারণ বর্তমান এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর যুগে আপনি যতবেশি তথ্য ও উপাত্ত নির্ভর বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন তত বেশি আপনার ব্যবসার প্রচার এবং প্রসার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

ফেসবুক অ্যাডভার্টাইজিং এ কাস্টম অডিয়েন্স টার্গেটিং

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের একটি শক্তিশালী বৈশিষ্ট্য হলো, কাস্টম অডিয়েন্স টার্গেটিং, যা ব্যবহারকারীদের ডেটার উপর ভিত্তি করে আপনাকে আপনার নিজস্ব গ্রাহক সনাক্ত করার সুযোগ দেয়। 

এই ফিচারের সাহায্যে, আপনি আপনার বিদ্যমান গ্রাহক, সম্ভাব্য গ্রাহক বা লিডগুলির সাথে মেলে এমন ফেসবুক ব্যবহারকারী আইডিগুলির নাম, ঠিকানা,ইমেল, ফোন নম্বর বা একটি তালিকা আপলোড করতে পারেন।

কাস্টম অডিয়েন্স তৈরির স্টেপ:

  • স্টেপ ১- ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজারে গিয়ে “Audiences” ট্যাবে ক্লিক করুন। 
  • স্টেপ ২- “Create Audience” এ ক্লিক করে “Custom Audience” ওপেন করুন।
  • স্টেপ ৩- কাস্টম অডিয়েন্স তৈরি করতে কী ধরণের ডাটা ব্যবহার করবেন তা বাছাই করুন। (ই-মেইল এড্রেস, ফোন নাম্বার, ফেসবুক ইউজার আইডি)। 
  • স্টেপ ৪- আপনার ডাটা লিস্ট আপলোড করুন অথবা অডিয়েন্স ক্রিয়েশন টুলে কপি এবং পেস্ট করুন।

একবার আপনি আপনার কাস্টম অডিয়েন্স তৈরি করার পরে, আপনি ইতিমধ্যে আপনার ব্র্যান্ডের সাথে পরিচিত অথবা আপনার পণ্য বা পরিষেবাগুলিতে আগ্রহী লোকদের লক্ষ্য করে আপনার বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারেন। 

আপনি আপনার এডভার্টাইজিং ক্যাম্পেইন‌ থেকে আপনার পুরনো গ্রাহকদের বাদ দিতেও কাস্টম অডিয়েন্স টার্গেটিং ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে, আগে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনি কি আসলেই শুধুমাত্র নতুন লিড এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের টার্গেট করতে চান কিনা।

বাস্তবিক পক্ষে, কাস্টম অডিয়েন্স টার্গেটিং আপনার বিজ্ঞাপনগুলিতে আগ্রহী ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানোর একটি অত্যন্ত কার্যকর উপায় এবং আপনাকে আপনার ফেসবুক এডভার্টাইজিং ক্যাম্পেইন‌ কর্মক্ষমতা এবং ROI উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে।

ফেসবুক অ্যাডভার্টাইজিং এ লোকেলাইক অডিয়েন্স টার্গেটিং

লুকলাইক অডিয়েন্স টার্গেটিং ফেসবুক বিজ্ঞাপনের একটি বৈশিষ্ট্য, যা আপনাকে আপনার বিদ্যমান গ্রাহক বা অডিয়েন্সের অনুরূপ আরো নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছতে সাহায্য করে। 

লোকেলাইক অডিয়েন্স তৈরির স্টেপ:

  • স্টেপ ১- ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজারে গিয়ে “Audiences” ট্যাবে ক্লিক করুন। 
  • স্টেপ ২- “Create Audience” এ ক্লিক করে “Lookalike Audience” ওপেন করুন।
  • স্টেপ ৩- সোর্স অডিয়েন্স বাছাই করুন যা আপনার লোকেলাইক অডিয়েন্সের জন্য ১টি বেসিস হিসেবে ব্যবহার করতে চান । যা হতে পারে কাস্টম অডিয়েন্স, ওয়েবসাইট ট্রাফিক, অথবা পেইজ লাইক। 
  • স্টেপ ৪- এবার আপনার লোকেলাইক অডিয়েন্সের লোকেশন এবং অডিয়েন্স সাইজ সিলেক্ট করুন। Select the location and audience size for your Lookalike audience.

একবার আপনি আপনার লুকলাইক শ্রোতা তৈরি করার পরে, আপনি আপনার বিজ্ঞাপনগুলি এমন লোকদের সম্মুখে প্রদর্শন করতে পারেন, যারা আপনার পুরনো গ্রাহক বা অডিয়েন্সের অনুরূপ, কিন্তু আগে আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে জ্ঞাত ছিল না। এটি আপনাকে আপনার পণ্য বা পরিষেবাগুলিতে আগ্রহী নতুন সম্ভাব্য গ্রাহকদের খুঁজে পেতে এবং সম্পৃক্ত করতে সহায়তা করবে।

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের জন্য আরো কিছু উন্নত অডিয়েন্স টার্গেটিং কৌশল হল:

রিটার্গেটিং

আপনার ব্র্যান্ডের প্রতি ইতিমধ্যে ইন্টারঅ্যাক্টকারী নির্দিষ্ট গ্রাহকদের লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপনগুলি পুনঃপ্রদর্শন করাই হলো রিটার্গেটিং।

অর্থাৎ যারা আপনার ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেছেন বা আপনার ভিডিও দেখেছেন বা তাদের কার্টে পণ্য যুক্ত করেছেন কিন্তু কোনো কারণে কেনাকাটা করেননি, তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করার উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপনগুলি তাদেরকে পুনরায় দেখানো। 

ফেসবুক মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে, সম্ভাব্য ক্রেতাদের পুনরুদ্ধার করার এটি একটি অত্যন্ত কার্যকরী কৌশল।

ডায়নামিক পণ্য বিজ্ঞাপন

ডায়নামিক পণ্য বিজ্ঞাপন (ডিপিএ) হলো, এমন অডিয়েন্সকে তাদের পছন্দসই পণ্যগুলির বিজ্ঞাপন দেখানো যাদের কেনার ইচ্ছা রয়েছে।

এই ফিচারের সাহায্যে, যারা আপনার ওয়েবসাইটে/পেইজে এসেছেন কিন্তু কোন কেনাকাটা করেননি অথবা অন্য কোন পেইজে/ওয়েবসাইটে আপনার পণ্যের অনুরূপ কোন পণ্যের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তাদের কাছে অটোমেটিকভাবে আপনার বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে। এভাবে আপনি আপনার বিভিন্ন অফার, ব্লগ পোস্ট ইত্যাদির মাধ্যমে তাদের আপনার পন্য কিনতে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।

লুকলাইক অডিয়েন্সের সম্প্রসারণ

আপনার লুকলাইক অডিয়েন্স প্রসারিত করতে লুকলাইক এক্সটেনশন ব্যবহার করুন। এই বৈশিষ্ট্যটি ফেসবুককে আপনার লুকলাইক অডিয়েন্সের অনুরূপ ব্যবহারকারীদের সনাক্ত করার সুযোগ দেয় এবং আপনাকে বৃহত্তর অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

ইন্টারেস্ট টার্গেটিং ওভারল্যাপ

আপনার ব্র্যান্ডের অন্যান্য প্রতিযোগী ব্র্যান্ডগুলোর প্রতি আগ্রহ রয়েছে এমন ব্যবহারকারীদের চিহ্নিত করতে ইন্টারেস্ট টার্গেটিং ওভারল্যাপ ব্যবহার করুন। এটি আপনাকে আপনার পণ্য বা পরিষেবাগুলিতে আগ্রহী নির্দিষ্ট অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।

অডিয়েন্স এক্সক্লুডিং

যেসব ফেসবুক ব্যবহারকারী আপনার জন্য আশাব্যাঞ্জক নয় অর্থাৎ আপনার গ্রাহক হ‌ওয়ার সম্ভাবনা নেই বা সম্ভাবনা খুবই কম, তাদের বাদ দেওয়ার জন্য এক্সক্লুডিং অডিয়েন্স অপশন ব্যবহার করুন। 

এতে আপনার বিজ্ঞাপনের ব্যয়ে অর্থ সাশ্রয় হবে এবং সম্ভাবনাময় গ্রাহকদের আরো ভালো ভাবে ফোকাস করতে সহায়ক হবে।

পরিশেষে আশা করছি, উক্ত অডিয়েন্স টার্গেটিং কৌশলগুলি আপনাকে আপনার সঠিক গ্রাহকদের মধ্যে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তবে, সর্বাধিক সফলতার জন্য সময়ের সাথে সাথে আপনার টার্গেটিং কৌশলগুলি পরিবর্তন এবং পরিমার্জন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উপসংহার 

ফেসবুক অ্যাডভার্টাইজিং এর ক্ষেত্রে অডিয়েন্স টার্গেটিং নিয়ে আশা করছি বেশ ভালো একটি ধারণা পেয়েছেন।

এছাড়াও উপরে উল্লিখিত টিপস গুলো ব্যাপক কার্যকরী যা আপনার বিজনেস গ্রো করতে অনেক হেল্প করবে। 

Don't wait!
Get the expert business advice You need in 2022

It's all include in our newsletter!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More To Explore
কাস্টমার সার্ভিস স্কিলস ইম্প্রোভ করার ৭টি টিপস
Marketing

কাস্টমার সার্ভিস স্কিলস ইম্প্রোভ করার ৭টি টিপস

কাস্টমার সার্ভিস হল বিজনেস সুদুরপ্রসারি করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্টেপ। কাস্টমারই আপনার বিজনেস এর লক্ষ্য, আপনার প্রোফিট এর উৎস। তাই কাস্টমার সন্তুষ্ট করতে, একটা ওয়েল স্ট্র্যাকচারড

মার্কেটিং এর জন্য টুইটার অ্যালগরিদম কিভাবে ইউজ করবেন
Marketing

মার্কেটিং এর জন্য টুইটার অ্যালগরিদম কিভাবে ইউজ করবেন

আপনি কি টুইটারের মাধ্যমে এনগেজমেন্ট বাড়াতে এবং লিড তৈরি করতে চাইছেন? অথবা সম্ভবত আপনি আপনার ব্র্যান্ড রেপুটেশন বাড়াতে টুইটার অ্যালগরিদম নেভিগেট করাকে বেশ চ্যালেঞ্জিং মনে