কম বিনিয়োগে ৯টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া যা আপনি শুরু করতে পারবেন আজই

অনলাইন বিজনেস আইডিয়া

Share This Post

Share on facebook
Share on linkedin
Share on twitter
Share on email

অনলাইন বিজনেস করতে চান? কিন্তু ভাবছেন এতো বিনিয়োগ কই থেকে ম্যানেজ করবেন? বা বিনিয়োগের জন্য শেষ পর্যন্ত থেমেই যাচ্ছেন। কিন্তু আপনি হয়তো জানেননা আপনিও পারবেন অনলাইনে বিজনেস করতে নাম মাত্র বিনিয়োগ করে।

বর্তমান যুগে অনেকেই অনলাইন বিজনেস করতে চায়। কিন্তু অনেক ধরণের বাধার সম্মুখিন হয় ফাইনালি, তাই পারছেনা। তার মধ্যে একটি বড় সমস্যা হলো বিনিয়োগের সমস্যা। ব্যবসায় করতে চাইলেই সর্বপ্রথম বিনিয়োগ করার মত টাকা যোগাড় করতে হয়।

কিন্তু আমরা আজ এমন কিছু অনলাইন ব্যবসায় আইডিয়া দিবো আপনাকে যা করতে আপনার সামান্য কিছু বিনিয়োগ লাগবে। একটু স্মার্ট ভাবে রান করতে পারলে আপনিও শুরু করতে পারেন আইডিয়া গুলো নিয়ে , তাই দারুন এই বিজনেস আইডিয়াগুলো পেতে আমদের সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

ই-বুক লেখা

ই-বুক হচ্ছে একটি ইলেকট্রনিক্স বুক হচ্ছে এমন বই যেটাতে সাধারণ বইয়ের মতই লিখা থাকে চিত্র থাকে। সবই থাকে। কিন্তু এই বই আর সাধারন বই এর মধ্যে পার্থক্য হলো সাধারন বই ট্রেডিশনালি প্রকাশ করা হয় আর এটি ডিজিটালি। যেটা আপনার পড়তে হবে যে কোন ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস এর মাধ্যমে। 

আজকাল ই-বুক খুবই জনপ্রিয়। কারণ এটা যে কোন জায়গায় বসেই পড়া যায়। এটা টানাটানির কোন ঝামেলা নেই। আপনি রাস্তায় জানজটে বসে আছেন তখন ও আপনি পড়তে পাড়ছেন।

ই-বুক যে কেউ লিখতে পারে। যেহেতু এটার পেছনে তেমন কোন খরচ নেই। যার লেখার শখ আছে লিখতে পছন্দ করে সে চাইলেই ই-বুক লিখে আয় করতে পারেন। কিন্তু এখানে কিছু লক্ষ্যনীয় বিষয়াবলী রয়েছে। যেমন আপনি কি বিষয়ে লিখছেন। কারন আপনি আপনার পছন্দের বিষয়ে লিখলেই হলো না। আপনি যেহেতু চাচ্ছেন অন্যরা এই বই পড়ুক এবং এটা দিয়ে আপনার আয় হোক। তাহলে আপনার এমন কিছু নিয়ে লিখতে হবে যা মানুষ ই-বুকে পড়তে পছন্দ করে। 

এই বইটি যত মানুষ কিনবে তত মুনাফা আপনি পাবেন। আপনার বিষয় আর লেখের মান যদি ভালো থাকে তবে আজীবন আপনি এই বই বিক্রির মুনাফা পাবে।

এখন কথা আস্তে পারে আপনি এই বই বিক্রয় করবেন কি করে। বা কোথা থকে অন্যান্যরা আপনার বই পাবে। এরকম বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি আপনার এই বই বিক্রয় করতে পারবে। কিংবা আপনি চাইলে নিজের ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানেও বিক্রয় করতে পারেন।

ভয়েস ওভার আর্টিস্ট
49

আপনার বাচনভঙ্গি যদি ভালো হয় উচ্চারণ হয় স্পষ্ট হয় তাহলে আপনি ভয়েস ওভার আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করতে পারবেন। এই ভয়েস ওভার আর্টিস্ট কি? সবার বাচন ভঙ্গি সুন্দর হয়না বা কন্ঠস্বর ও হয়ত প্রোফেশনাল হয়না। তাই বিভিন্ন ব্যবসায়ে তাদের ভিডিও এডস করার জন্য ভয়েস ওভার আর্টিস্ট লাগে। যেখানে তারা তাদের ভয়েস দেয় সেই কোম্পানির হয়ে।

এই ভয়েস অভার আর্টিস্টের অনেক চাহিদা সকল জায়গায় ই। আপনি অনলাইনে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে পারবেন। এটার পেছনে আপনার খুব কম বিনিয়োগ করতে হবে।  

ড্রপ শিপিং

বর্তমান যুগে ড্রপ সিপিং এর চাহিদা বেড়েই যাচ্ছে। এখানে আপনার নেই তেমন আহামরি বিনিয়োগ। খুব সহজে আপনি ব্যবাসায় করতে পারবেন। তো ড্রপ সিপিং বিজনেস্টি করে কিভাবে?

এখানে আপনার নিজেস্ব একটি ওয়েবসাইট থাকা লাগবে। সেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি অর্ডার নিয়ে অন্য কোম্পানির প্রোডাক্ট বিক্রয় করতে পারবেন। আপনার কোন প্রাথমিক বিনিয়োগ করতে হবেনা খুচরা বিক্রেতাদের মত। এবং আপনার কোন মালামাল ও সংগ্রহ কিংবা রাখার ঝামেলা নেই। এই ড্রপ শিপিং করে আপনি তেমন বিনিয়োগ ছাড়াই অনেক ভালো আয় করতে পারবেন। 

পডকাস্ট

একটি অন্যতম চাহিদা সম্পূর্ণ মাধ্যম হলো পডকাস্ট। এটি অনলাইনে সম্প্রচার করা হয়। এটি একটি অডিওশো বা সিরিজ হতে পারে। আপনি বিভিন্ন বিষয়ে পডকাস্ট করতে পারেন। এই পডকাস্ট শ্রোতা ডাউনলোড করে রাখতে পারে। সে যখন চায় তখন সেটা শুনতে পারে। বা এটি অনলাইনে সরাসরিও শুনতে পারে। 

পডকাস্ট এর বিজনেস করার সময় আপনার খেয়াল রাখতে হবে প্রতিনিয়ত কোন ধরণের পডকাস্ট বেশি শুনতে পছন্দ করে মানুষ। আপনি যদি একটি বিষয়ে ফোকাস করে তৈরি করেন আপনার পডকাস্ট গুলো তাহলে সবচেয়ে ভালো। কারণ লোকজন বুঝবে আপনি কোন ধরণের পডকাস্ট দিচ্ছেন। তাহলে আপনি আপনার টার্গেট অডিয়েন্স পাবেন। 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে অনেক আগ্রহ থাকে সকলের। এটি খুব জনপ্রিয় ব্যবসায়। এখান থেকে খুব ভালো রোজগার সম্ভব যদি টেকনিক করে করা যায়। এখানে মূলত আপনি অন্যজনের প্রোডাক্টকে প্রোমট করবেন। তাদের প্রোডাক্ট  লিংক আপনার ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল বা অন্য কোথাও প্রমোট করতে পারবেন। এতে তাদের বিক্রয় হলে আপনার লিংক দিয়ে আপনি কমিশন পাবেন। আপনি সল্প বিনিয়োগে এই ব্যবসায় করতে পারবেন। 

কনটেন্ট রাইটিং
48

আপনি কন্টেন্ট ছাড়া ব্যবসায়ের সম্পর্কে আপনার কাস্টমার দের জানাবেন কি করে। আপনার কন্টেন্ট তো লাগবেই। এই কন্টেন্ট এর মধ্যে লিখিত কন্টেন্ট নিয়ে যারা কাজ করেন তারাই কন্টেন্ট রাইটার। 

এই ব্যবসায়ের অনেক চাহিদা। আপনার যদি ভাষার উপর দক্ষতা থাকে আপনি এখান থেকে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন লিখে। সবাই যেহেতু লিখতে পারেনা ভালো তাই আপনি এখানে আপনার দক্ষতা দিয়ে ভালো সুযোগ পাবেন। আপনি লোকাল বা ইন্টারন্যশনাল দুই রকমের কাজ ই করতে পারবেন এখানে। এখানে প্রতি শব্দ হিসেবে টাকা প্রদান করা হয়। আপনি যত বেশি লিখে তত টাকা পাবেন। 

অনলাইন কোর্স তৈরি

আমরা সবাই কোন না কোন বিষয়ে দক্ষ। কিন্তু সব বিষয়ে কিন্তু যে কেউ একজন দক্ষ নয়। তাই আপনি যে বিষয়ে দক্ষ আপনি যদি তা অনলাইনে শেখাত পারেন কোর্স  তৈরি করে তাহলে অন্যরা শিখতে পারলো এবং আপনার ও রোজগার বৃদ্ধি পেলো।

মহামারির পর থেকে এখন মানুষ অফলাইন থেকে অনলাইনে কোর্স করা বেশি পছন্দ করে। তাই এটি খুবই ভালো ব্যবসায় হতে পারে। 

ব্লগিং

এই ব্যবসায় কিছুটা কন্টেন্ট রাইটিং এর সাথে মিল আছে। আপনার যদি লেখার হাত ভালো থাকে আপনি ব্লগিং করতে পারেবন। কিন্তু এটার মধ্যে আপনার নির্দিষ্ট কোন ক্লাইন্ট এর জন্য লিখতে হবেনা। বিভিন্ন ব্লগিং সাইট আছে যেখানে গিয়ে আপনি লিখবেন মানুষ আপনার লেখা পড়বে। বা আপনি আপনার নিজের সাইটে ইনফরমেশন ব্লগ লিখবেন যেটা মানুষ এসে পড়বে এবং সেখান থেকে আয় হবে। এভাবে আপনি ব্লগ লিখে আয় করতে পারেন। 

ভার্চুয়াল সহকারী

এটা কিছু মানুষের কাছে নতুন হতে পারে। কিন্তু বাহিরের দেশে এটি খুবই জনপ্রিয় ব্যবসায়। বিভিন্ন ছোট ছোট কোম্পানি গুলো বিভিন্ন এমন ভার্চুয়াল সহকারী নিয়োগ দিয়ে থাকে। যারা অফিসে না এসে ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের কাজ করে দিয়ে থাকে। এর মধ্যে অনেক ধরনের কাজ হতে পারে মেইল পাঠানো, কন্টেন্ট লেখা, গ্রাহক দের প্রশ্নের উত্তর দেয়া আরো অনেক কিছুই। 

Subscribe To Our Newsletter

Get updates and learn from the best

More To Explore

সোশ্যাল মিডিয়া
Case Study

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো কীভাবে মিলিয়ন ডলার আয় করে !

আসলে তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে যেসকল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে একটি ভার্চুয়াল কমিউনিটি বা কৃত্রিম সমাজ গড়ে তোলা যায় তাকেই মূলত সোশ্যাল মিডিয়া বা

বিজনেস আইডিয়া - Business idea
Business idea

ডিজিটাল সময়ে ২৩টি ইউনিক বিজনেস আইডিয়া

ইউনিক বিজনেস আইডিয়া খুঁজছেন? চাকরি করবো কেন, চাকরি দিবো এবং নিজের বস নিজে হবো। নিজস্ব বিজনেস থাকলে নিজের স্বাধীনতা থাকে। কখন, কোথায়, কিভাবে করবেন সবকিছু