বাংলাদেশের জনপ্রিয় ডিজিটাল লার্নিং প্ল্যাটফর্ম শিখো

লার্নিং প্ল্যাটফর্ম

Share This Post

Share on facebook
Share on linkedin
Share on twitter
Share on email

শিখো, একটি জনপ্রিয় ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম। অসাধারণ বেশ কিছু টিচার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এই ডিজিটাল প্লাটফর্মটি। 

২০১৯ সালে শুরু হওয়া এই প্ল্যাটফর্ম টির কো -ফাউন্ডার এবং হিসেবে বর্তমানে কাজ করছেন শাহির চৌধুরী। এছাড়াও আরেকজন কো-ফাউন্ডার জীশান জাকারিয়া বর্তমানে প্ল্যাটফর্ম টির সিওও হিসেবে দায়িত্বরত আছেন । 

শুরুর দিকের গল্প এবং তাদের সার্ভিস

বাংলাদেশে বর্তমানে বেশ কিছু কম্পিটিটিভ ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যারা বেশ ভালো ভাবে এই মাধ্যম গুলোকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের বেটার সার্ভিস প্রোভাইড করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন , তার মধ্যে শিখো গত ০২ বছরে প্লাটফর্মটি সবগুলো সার্ভিস বেশ গুছিয়ে প্রোভাইড করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অভিজ্ঞ মেন্টর, পড়াশুনার বিষয়গুলোকে আরও সহজ এবং কম সময়ে শিখার জন্য অ্যানিমেশন প্রজেক্ট এর মাধ্যমে ডেভেলপ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। 

এডুকেশন সিলেবাসের উপর ভিত্তি করে প্রতিনিয়ত কন্টেন ক্রিয়েট করে যাচ্ছে এই ইলার্নিং প্লাটফর্মটি এবং স্টুন্ডেন্টদের সুবিধার্থে তারা সেই কন্টেন্ট গুলোকে ভেঙ্গে শর্ট সেগমেন্ট করে অ্যানিমেটেড করে প্রেসেন্ট করছে যাতে করে সহজেই একজন স্টুডেন্ট লেকচার গুলো আয়ত্ত করে নিতে পারে। 

 

লার্নিং প্ল্যাটফর্ম

 

বেশ কিছু সময় আগেও বাংলাদেশী স্টুডেন্টরা পড়ার জন্য গাইডবুক কিনতো , ডিজিটাল এডুকেশন এর কল্লানে এখন সেটি স্মার্টনোট এ পরিবর্তিত হয়েছে, গাইড এর পরিবর্তে এখন এই স্মার্টনোট থেকে পড়তে পারবে, প্রশ্নের উত্তরগুলো সল্ভ করতে পাড়বে এবং ডিটেইল্ড সল্যুশন ও পাবে একসাথে, একি প্লাটফর্ম এ। 

প্রি-রেকর্ডেড ভিডিও কন্টেন্ট গুলো ছিলো শিখোর মেইন ভিডিও কন্টেন্ট। কিন্তু পরবর্তীতে স্টুদেন্তদের সুবিধার্থে ধাপে ধাপে লাইভ ক্লাসও নিয়ে যাচ্ছে এই অসাধারণ প্লাটফর্মটি। 

শুরুর দিকে’ তাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ ছিলো স্টুডেন্টদের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মোটিভেট্যাড্ রাখা। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহির চৌধুরী বলেছিলো শিখোর গেমিফিকেশন সিস্টেম ছিলো নাইক রান ক্লাব থেকে ইন্সপায়ার হয়ে। নাইক রান ক্লাব যেভাবে ইউজারদের কে প্রত্যেক সময়ে দৌড়ানোর জন্য পয়েন্ট দেয় ঠিক শিখো সেভাবে স্টুডেন্টদের পয়েন্ট দেয় যখন সে লগ ইন করে, এপপ্স এর মধ্যে অনেক বেশি সময় দেয়, এডুকেশনাল ভিডিওগুলো দেখে, নিজেদের কানেক্টিভিটি বাড়াতে পারে পাশাপাশি  কুইজ টেস্ট গুলোতে অংশগহন করে এবং প্রতিদিন ভিডিওগুলো দেখে প্রাকটিস করে।

বিগেইনার থেকে প্রো হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে এই পয়েন্টগুলি কালেক্ট করতে পারবে একজন ইউজার এবং ফাইনালি যখন কোনো স্পেশাল সাফল্য তারা অর্জন করতে পারে তাদেকে একটি স্পেশাল ব্যাজ দেয়া হয়। যেমন সেটা হতে কত দ্রুত একজন স্টুডেন্ট একটা লেকচার গ্রাব করতে পারে আবার তার আনসার গুলো কতটা সময়ে প্রোভাইড করতে পারে। 

এই পয়েন্ট গুলো থাকে ইউজারদের লিডারবোর্ডে । এজন্য যেকেউ কম্পেয়ার করতে পারে অন্যান্য ইউজারের পয়েন্ট এর সাথে নিজের পয়েন্টকে। এই অ্যাপটি ৭ দিনের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি। শিখোর দেয়ার তথ্য মতে অ্যাপে প্রতিদিন একজন ইউজাররা ৪৫ থেকে ৫০ মিনিট স্পেন্ড করে। 

লার্নিং প্ল্যাটফর্ম

 

কোভিড ১৯ বা মহামারী শুরু হওয়ার প্রায় প্রায় একবছর আগে শিখোর যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু পেনডামিক এর জন্য কোন রকরমের পরিবর্তন শিখোতে আসেনি। কারণ শিখো শুরু থেকেই একটি অনলাইন লার্ণিং প্ল্যাটফর্ম এর উপর বেস করে নিজেদের ইস্টাব্লিশড করতে চেয়েছিলো। 

সেরা মেন্টর দের নিয়ে পরিচালিত ই লার্নিং প্ল্যাটফর্ম শিখো শুরু করার পূর্বে শাহির চৌধুরী HSBC UK’s Private Bank এর ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এবং জিশান জাকারিয়াও একজন ম্যাথ টিচার হওয়ার আগে ফাইন্যান্স ইন্ডাস্ট্রিতে এ জব করতেন। তারা দুজন ঢাকায় বড় হলেও পড়াশুনা শেষ করেচেন ইউকের ইউনিভার্সিটি থেকে। 

যখন শাহির চৌধুরী ফাইন্যান্স এ জব করতেন , একটি ইন্টারভিউ তে বলেছিলেন তারা বাংলাদেশে একটি সোশ্যালি ইম্পেক্টফুল বিজনেস লঞ্চ করার গোল ছিলো। 

যেহেতু সে ফাইন্যান্স এ কর্মরত ছিলেন তাই শাহির চৌধুরী প্রথম দিকে ফিনটেক এর কথা ভেবেছিলো। কিন্তু তিনি রিয়ালাইজ করেছিলেন বাংলাদেশে অনেক অলরেডি অনেক মানুষ আছেন যারা ফিনটেক নিয়ে কাজ করছেন। যেমন বিকাশ, নগদ এবং অন্য আদার্স প্রতিষ্ঠানগুলো । তখন তারা ফাইনালি বাংলাদেশে ডিজিটাল এডুকেশন মেথড এপলাই করার কথা এডুকেশন নিয়ে ভাবতে শুরু করলেন। 

কোইন্সিডেন্সলি তিনি একজন ক্লাইন্ট এর সাথে Byju’s and Toppr এর মতো ইন্ডিয়ান এবং চাইনিজ এডটেক এর রিপোর্টিং এর কাজ করেন।

তখন তিনি বুঝার চেষ্টা করেন এডটেক কি, ওইসব মার্কেটে কিভাবে কাজ করে এবং এটা বাংলাদেশে কেনই বা নেই। মাইক্রোইকোনোমিক প্রসপেক্টিভ থেকে যত গুলো এলিমেন্ট থাকার দরকার তার সব গুলো যেহেতু বাংলাদেশে আছে তাই বাংলাদেশে না থাকার কোন কারণ নেই। বাংলাদেশে ১৬৫ মিলিয়ন এর লার্জ পপুলেশন আছে এবং তার অর্ধেকই ২৫ বছরের নিচে।

গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট

শিখো মোট ৩টি রাউন্ড থেকে ১.৩ মিলিয়ন ফান্ডিং কালেক্ট করেছে। গ্লোবালইনভেস্টমেন্ট প্লাটফর্ম ওয়েভমেকার পার্টনার্সের নেতৃত্বে একটি সীড রাউন্ডে ১.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছে এই ই-লার্নিং প্লাটফর্মটি। Learn Capital and Anchorless Bangladesh ছিলেন তাদের রিসেন্ট ইনভেস্টর। 

ফিউচার টার্গেট

শিখো ফিউচারে চায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্য পুস্তক বোর্ড থেকে প্রনিত সিলেবাসের উপর ভিত্তি করে স্টুডেন্টদের আরো অনেক এঙ্গেজিং এবং ইফেক্টিভ উপায় খুঁজে বের করে পড়ানো। 

 

Subscribe To Our Newsletter

Get updates and learn from the best

More To Explore

সোশ্যাল মিডিয়া
Case Study

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো কীভাবে মিলিয়ন ডলার আয় করে !

আসলে তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে যেসকল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে একটি ভার্চুয়াল কমিউনিটি বা কৃত্রিম সমাজ গড়ে তোলা যায় তাকেই মূলত সোশ্যাল মিডিয়া বা

বিজনেস আইডিয়া - Business idea
Business idea

ডিজিটাল সময়ে ২৩টি ইউনিক বিজনেস আইডিয়া

ইউনিক বিজনেস আইডিয়া খুঁজছেন? চাকরি করবো কেন, চাকরি দিবো এবং নিজের বস নিজে হবো। নিজস্ব বিজনেস থাকলে নিজের স্বাধীনতা থাকে। কখন, কোথায়, কিভাবে করবেন সবকিছু