সফল উদ্যোক্তা হতে চান ? প্রথমেই অনুসরণ করুন এই ০৫ টি ধাপ

একজন সফল উদ্যোক্তা হতে অনুসরণ করুন ৫টি ধাপ

Share This Post

Share on facebook
Share on linkedin
Share on twitter
Share on email

সবাই চাইলেই সফল উদ্যোক্তা হতে পারেনা। কারণ উদ্যোগ নিয়ে নেয়া কঠিন কাজ না, কিন্তুএকজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া অবশ্যই এতো সহজ বিষয় নয়। 

একজন সফল উদ্যোক্তা হচ্ছেন তিনি যিনি একটা বিজনেস নিজে তৈরি করেন সাথে অনেক ধরণের ঝুঁকি বহন করে। একজন উদ্যোক্তা নতুন কোন আইডিয়া, প্রোডাক্ট, সার্ভিস এবং বিজনেস এর  উৎস। অনেক গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে অর্থনীতিতে। 

আপনি একজন উদ্যোক্তা হতে চাইলে আপনার অনেক মনোভাব এবং চিন্তাভাবনা উদ্যোক্তাদের মতো হতে হবে। তাহলে আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন, “ উদ্যোক্তাদের চিন্তাধারা কি অন্যেদের চেয়ে ভিন্ন? ” 

একজন উদ্যোক্তার চিন্তাধারা অবশ্যই অন্যদের চেয়ে ভিন্ন। আপনি একটি জায়গায় গিয়ে হয়তো কোন একটি জিনিশ চাচ্ছেন কিন্তু সেটা পাচ্ছেন না। আপনি শুধু আফসোস ই হবে যে জিনিশ টা আপনি পেলেন না। কিন্তু একজন উদ্যোক্তামনা মানুষ চিন্তা করবে এই জিনিশটা এখানে নেই কেন ! এটার যে একটা অভাব এটা কিভাবে দূর করা যায়। কতো সহজে কোন সমস্যার সমাধান করা যায়। 

একজন উদ্যোক্তা চেষ্টা করে সবাইকে সাহায্য করতে। তার নিজের লক্ষ্য থেকে যেনো অন্যান্য মানুষের সাহায্য ও হয়। যখন অন্যান্য মানুষরা তার নেয়া উদ্যোগ থেকে উপকৃত হবে তখনই মূলত একজন উদ্যোক্তা সফলতার দিকে এগিয়ে যায়। সফল উদ্যোক্তা যারা আছেন তাদের গল্পের দিকে তাকালে আমরা একটা বিষয় কমন দেখতে পারবো যে তারা মানুষের কোন সমস্যার সমাধান দিয়েছে। 

আপনার উদ্যোক্তা হতে হলে শুরু করতে হবে উদ্যোক্তাদের মতো চিন্তাভাবনা শুরু করার থেকে তারপর কি কি ধাপ আপনি অনুসরণ করবে তা আজকে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

আইডিয়া জেনারেট করতে হবে

আপনি যে উদ্যোগ নিতে চাচ্ছেন আপনি ভেবেছেন আপনি কিসে উদ্যোগ নিবেন? এটা আসলে এভাবে ভেবে পাওয়া যাবেনা। আপনি যদি লিস্ট অনুযায়ী ভাবেতে থাকেন যে আপনি কোন বিষয়ে উদ্যোগ নিবেন তাহলে আপনি একটি ভালো ডিসিশন কখনই নিতে পারবেন না। আপনাকে তাহলে কি করতে হবে? আপনি আপনার আশেপাশে দেখুন। কোন বিষয়ে আপনি অভাব বোধ করছেন। বা আশেপাশের মানুষ কোন বিষয়ে অভাব বোধ করছেন। আশেপাশের পরিস্থিতি দেখলেই আপনি সেখান থেকেই ভালো আইডিয়া পাবেন। 

সমস্যা গুলো দেখতে হবে আশেপাশের। সেই সমস্যার সমাধান কতো সহজে দেয়া যায় তা অ্যানালাইসিস করা যেতে পারে। এভাবে আপনি ‘আইডিয়া জেনারেট’ করতে পারবেন। এছাড়াও আপনার কোন বিষয়ে ইন্টারেস্ট আছে সেই বিষয় থেকেও আপনি আইডিয়া জেনারেট করতে পারেন। 

মার্কেট অ্যানালাইসিস করুন

আপনি একটি আইডিয়া জেনারেট করার পর আপনাকে মার্কেট অ্যানালাইসিস করতে হবে। আপনি যে আইডিয়া টি বের করেছেন তার মার্কেটে কতটুকু ভ্যালু আছে তা পর্যবেক্ষন করতে হবে। আপনার সেই ফিল্ডে কাস্টমার কেমন আছে। বা আপনার কম্পিটিটর কেমন আছে। আপনার নেয়া এই উদ্যোগে কি আসলেও আপনার কাস্টমারের কোন লাভ আছে কিনা। তারা উপকার পাবে কিনা। বা আপনি কি তাদের অভাব দূর করতে পারবেন কিনা আপনার উদ্যোগ দিয়ে। এই সব সহ আরও অনেক বিষয়ে আপনার লক্ষ্য রাখতে হবে মার্কেট অ্যানালাইসিসে। আপনি কিভাবে মার্কেট অ্যানালাইসিস করতে পারবেন বা কোন কোন প্রশ্নের উত্তর আপনার প্রয়োজন হবে ‘মার্কেট অ্যানালাইসিস’ এর সময় তা তা সম্পূর্ণ গাইডলাইন এখান থেকে পেতে পারেন।

বিজনেস প্ল্যান

প্ল্যান ছাড়া কোন কিছু শুরু করলে তাতে কখনোই সফলতা আসবেনা এবং ওই প্ল্যান বাস্তবায়ন করে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেননা। আপনার বিজনেস শুরু করার আগে প্ল্যান করতে হবে। আপনি যে বিজনেসে নামছেন বা উদ্যোগ নিচ্ছেন আপনার কাস্টমার কারা। বা আপনার লক্ষ্য কি। আপনা প্রতিটা স্টেপ মানচিত্র এর মতো প্ল্যান করা থাকতে হবে। আপনি কিভাবে প্রোডাক্ট নিবেন বা সার্ভিস দিবেন। বা কোথায় কতো খরচ যাবে। আপনার টার্গেট সময় সীমা কতটুকু। সবকিভছু প্ল্যান করতে হবে। একজন উদ্যোক্তার সফল হওয়ার পেছনে তার বিজনেস প্ল্যান অসাধারণ ভূমিকা রাখে। বিজনেস প্ল্যান কিভাবে করবেন তা আরও বিস্তারিত জানতে হলে  ‘বিজনেস প্ল্যান’ ব্লগটি পড়ুন।

সফল উদ্যোক্তা

ব্র্যান্ডিং

আপনি যে বিজনেস করার জন্য উদ্যোগ নিবেন আপনার সেই বিজনেসের ব্র্যান্ডিং করতে হবে। ব্র্যান্ডিং বলতে এখানে কি বুঝাচ্ছে? যেমন আপনার বিজনেসের একটি প্রোফেশনাল নাম এবং আপনার বিজনেসকে রিপ্রেজেন্ট করছে এমন কোন ট্যাগলাইন। আপনার বিজনেসকে পরিচিত করানোর জন্য একটি প্রফেশনাল লোগো। এসব বিষয়ই ব্র্যান্ডিং এর মধ্যে পড়ে। যেগুলো আপনার বিজনেসকে কাস্টমার এর কাছে রিপ্রেজেন্ট করবে। তাই বিজনেসের ব্র্যান্ডিং করা খুবই গুরত্বপূর্ণ। আপনার বিজনেসের ব্র্যান্ডিং এমন ভাবে করতে হবে যাতে যে কেউ দেখলেই সেটাআকে প্রফেশনাল ভাবে। 

মার্কেটিং

একজন সফল উদ্যোক্তা হতে অনুসরণ করুন ৫টি ধাপ

আপনি কোন সার্ভিস দিবেন বা আপনার কোন পন্য আছে সেটা অন্যরা জানবে কি করে? যদি আপনি না জানান। আপনার তাদেরকে জানাতে হবে। আপনি যে তাকে জানাবেন এটাই আপনার বিজনেসের মার্কেটিং। মার্কেটিং একটি বিজনেসের জন্য খুবই গুরত্বপূর্ণ। আপনি যত ভালো মার্কেটিং করতে পারবেন আপনার সার্ভিস ততো ভালো ভাবে কাস্টমারদের কাছে পোঁছাবে। 

মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনি ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং দুটোই করতে পারেন। কিন্তু ট্রেডিশনাল মার্কেটিং করলেও ডিজিটালি মার্কেটিং করা অবশ্যই জরুরি। কারণ এই ডিজিটাল যুগে আপনি ডিজিটালি মার্কেটিং করা ছাড়া বেশি দূর আগানো কষ্টকর। ডিজিটালি মার্কেটিং বলতে আপনার বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে আপনার বিজনেস অ্যাকাউন্ট থাকবে। এই বিজনেস অ্যাকাউন্ট গুলো হচ্ছে আপনার বিজনেসের ডিজিটাল প্রেজেন্স। 

Subscribe To Our Newsletter

Get updates and learn from the best

More To Explore

সোশ্যাল মিডিয়া
Case Study

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো কীভাবে মিলিয়ন ডলার আয় করে !

আসলে তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে যেসকল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে একটি ভার্চুয়াল কমিউনিটি বা কৃত্রিম সমাজ গড়ে তোলা যায় তাকেই মূলত সোশ্যাল মিডিয়া বা

বিজনেস আইডিয়া - Business idea
Business idea

ডিজিটাল সময়ে ২৩টি ইউনিক বিজনেস আইডিয়া

ইউনিক বিজনেস আইডিয়া খুঁজছেন? চাকরি করবো কেন, চাকরি দিবো এবং নিজের বস নিজে হবো। নিজস্ব বিজনেস থাকলে নিজের স্বাধীনতা থাকে। কখন, কোথায়, কিভাবে করবেন সবকিছু