
ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি ক্রিয়েট করার সময় কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখা উচিৎ?
ব্র্যান্ড কি? ব্র্যান্ডকে অনেকে অনেক ভাবে ডিফাইন করে গেছে। কেউ কেউ ব্র্যান্ড বলতে একটা মার্ক অথবা লোগো কে বুঝেন, আবার অনেকে এমন কোনো পিকচার কে

ব্র্যান্ড কি? ব্র্যান্ডকে অনেকে অনেক ভাবে ডিফাইন করে গেছে। কেউ কেউ ব্র্যান্ড বলতে একটা মার্ক অথবা লোগো কে বুঝেন, আবার অনেকে এমন কোনো পিকচার কে

একটা সাক্সেস্ফুল ব্র্যান্ড শুধু মাত্র একটা কালারফুল লোগো বা কিছু প্রোডাক্টস পরিচিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটা হচ্ছে বিজনেস রেপুটেশন এবং কাস্টমারের উপর একটা গুড বিজনেস

যেকোনো বিজনেসের জন্যই কম্পিটিশন থাকা টা জরুরি, কেননা শুধুমাত্র কম্পিটিশনের মাধ্যমেই আপনি বিজনেসের জন্য নতুন নতুন এবং ক্রিয়েটিভ আইডিয়া নিয়ে আসতে পারবেন, যা আপনাকে আপনার

আপ-সেলিং এবং ক্রস-সেলিং হলো দারুণ দুটো সেলস স্ট্র্যাটেজি বিজনেসের সেল বৃদ্ধি করার জন্য। কারণ এক্সিস্টিং কাস্টমারদের কাছে খুব সহজেই পুনরায় প্রোডাক্টস বা সার্ভিস সেল করা

যেকোনো ব্র্যান্ড বা বিজনেস শুরু করার আগে আপনাকে অবশ্যই বিজনেস টার্গেট অডিয়েন্স নির্ধারণ করতে হবে,সার্ভিস এবং প্রোডাক্টগুলির সেল বৃদ্ধি করার জন্য। কারা আপনার প্রোডাক্টের উপযুক্ত

কিছু মানুষের জন্য কনফিডেন্স একটা বিশাল ব্যাপার, যেটা তারা সহজেই নিজের মধ্যে এডপ্ট করতে পারেনা। কনফিডেন্সের অভাবে তারা লাইফের অনেক অপরচুনিটি মিস করে ফেলে৷ আজকের

বর্তমানে যেকোনো বিজনেসে টার্গেটেড কাস্টমারদের বায়ার্স এ কনভার্ট করা একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ এর মতো। এজন্য অবশ্যই কিছু ট্রিকস এন্ড ট্যাকটিস ফলো করা জরুরি। এই ব্লগে

ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটিং এর মতোই একটি কৌশল, যার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্র্যান্ড এবং বিজনেসের মার্কেটিং ডিজিটাল ভাবে করা হয়।আমরা সবাই জানি বিজনেসে বিভিন্ন প্রোডাক্টসের মার্কেটিং

যখন বাজেট অল্প থাকে তখন বিজনেসের মার্কেটিং করাটা অনেক চ্যালেঞ্জিং হয়ে যায়। বিশেষ করে স্মল বিজনেসের জন্য এটি আরো চ্যালেঞ্জিং। তবে বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর